বাংলা সাহিত্যের মহান কবিদের জীবনী পর্যালোচনাপাঠের সময় : 6 মিনিট

কিছু কথাঃ

আজ আমরা জানবো বাংলা ভাষা সাহিত্যের মহান কিছু লেখকের উপন্যাসিক কবি সাহিত্যিকদের জীবনী সম্পর্কে। যুগে যুগে বাংলা ভাষা সাহিত্যের আবির্ভাব হয়েছে অনেক মহান কবি  সাহিত্যিকের। তারা তাদের লেখনি দিয়ে বাংলা ভাষাকে দিয়েছেন সমৃদ্ধি। বর্তমান তরুণ প্রজন্ম অনেকেই আমরা তাদের লেখনি পড়লেও তাদের জীবন এবং পরিচয় সম্পর্কে ধারণা  রাখি না। চলুন জেনে নেওয়া যাক বাংলা ভাষার কিছু মহান উপন্যাসিক এবং সাহিত্যিকদের জীবনী।

 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরঃ

 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ  গ্রামে। জন্ম হয়েছিল ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ সালে। ছাত্র হিসেবে তিনি কলকাতা সংস্কৃত  কলেজে লেখাপড়া করেন। তার পান্ডিত্যের জন্য তাকে বিদ্যাসাগর  উপাধিতে ভূষিত করা হয়।  এছাড়াও  তাকে দয়ার সাগর নামে আখ্যা দেওয়া হয়।কলকাতার বিখ্যাত কলেজ ফোর্ট উইলিয়ামের প্রধান পন্ডিত নিযুক্ত হন ১৮৪১ সালে। তাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়ে থাকে। বিদ্যাসাগর ১৮৯১ সালের ২৯ শে জুলাই মৃত্যুবরণ করেন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরঃ

 বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য নিদর্শন। ২৫ শে বৈশাখ ১২৬৮ সালে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম।তার পিতার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। ১৯১৩সালে তিনি প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন এশীয়দের মধ্যে তার গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য। তিনি একাধারে দার্শনিক ,সাহিত্যিক ,শিক্ষাবিদ, নাট্য পরিচালক, অভিনেতা এবং সুরকার ছিল।চোখের বালি ,ঘরে-বাইরে ,যোগাযোগ ,শেষের কবিতা ,বিসর্জন তার উল্লেখযোগ্য রচনা মধ্যে অন্যতম।তিনি একমাত্র কবি যিনি একাধারে তিনটি দেশের জাতীয় সংগীত লিখেছেন। বাইশে শ্রাবণ ১৩৪৮ সালে কলকাতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বিখ্যাত শান্তিনিকেতন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।

প্রমথ চৌধুরীঃ

 প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস ছিল পাবনা জেলার হরিপুর গ্রামে। তিনি ৭ ই আগস্ট ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। ছদ্মনাম ছিল বীরবল। তিনি বাংলা সাহিত্যের নতুন গদ্য  ধারা সূচনায়  নেতৃত্ব দেন। লন্ডনে ব্যারিস্টারি পড়া লেখা করলেও কর্মজীবনে   ব্যারিস্টারিতে যোগ না দিয়ে তিনি ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা শুরু করেন। ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করার সময় কালে তিনি সাহিত্য রচনা শুরু করেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ নীললোহিত, চার ইয়ারী কথা, বীরবলের হালখাতা ইত্যাদি। প্রমথ চৌধুরী ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সালে পরলোকগমন করেন।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ঃ

 শরৎচন্দ্রের জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে। তার জন্ম ১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬ সালে।প্রথম দিকে তিনি ভবঘুরে হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতেন। পরে তিনি ভাগ্যের সন্ধানে মায়ানমার যান। তিনি একাউন্টেন্ট জেনারেল এর অফিসের কেরানি পদে চাকরি করেন। তিন হাজার ১৯২০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় জগত্তারিণী পদক লাভ করেন।তিনি শুধুমাত্র গল্প এবং  উপন্যাসই নয় প্রবন্ধও রচনা করতেন। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর জনপ্রিয়তা বাংলা এবং  বাংলাদেশ এখনো বহাল। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ দেবদাস, দত্তা, ছবি, চরিত্রহীন , দেনা পাওনা , গৃহদাহ ইত্যাদি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডি.লিট উপাধি লাভ করেন ।শরৎচন্দ্র ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন ।

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনঃ

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে। তার পিতার নাম জহির উদদীন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার একজন জমিদার ছিলেন। বাংলায় মুসলিম নারী শিক্ষা ও সংস্কৃতির পথে অগ্রসর হতে সাহায্য করার মূল নেতৃত্ব প্রদান করেন বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন।  তখনকার মুসলমান সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার ভাঙার দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের নারী শিক্ষার অগ্রগামী নেতৃত্বে তার অবদান অনস্বীকার্য । তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ পদ্মরাগ, মতিচুর ,সুলতানার স্বপ্ন ইত্যাদি। বেগম রোকেয়া ৯ ডিসেম্বর ১৯৩২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহঃ

 বাংলা ভাষা সাহিত্য  এবং ব্যাকরণ রচনায় ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর নাম সর্বপ্রথম আসবে। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে সুদীর্ঘ তিরিশ বছর চাকরি করেছে।প্যারিসের সোরবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাতত্ত্বের ডিপ্লোমা এবং ডিলিট লাভের গৌরব অর্জন করেন ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।তিনি ছিলেন বাংলা ভাষায় একজন অসামান্য ভাষাবিদ ও ব্যাকরণ প্রণেতা। ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহাকুমার পেয়ারা গ্রামে। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে পদ্মাবতী বিদ্যাপতি, শতক সহ অন্যান্য উপন্যাস রয়েছে।এছাড়াও তিনি বাংলা ব্যাকরণ ও বাংলা ভাষার উপর অসংখ্য বই লিখে গেছেন ।তিনি শিশু পত্রিকা আঙ্গুরের সম্পাদক। বাংলা ব্যাকরণ এর বিখ্যাত বই বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত এখনো জনপ্রিয়। ১৯৬৯ সালে ঢাকায় ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন। 

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ

  বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়  পরগনা মুরারীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কর্মজীবনের শিক্ষকতা করেন কলকাতার বিভিন্ন স্কুলে। তার কথা সাহিত্যের মধ্যে বাংলার সাধারণ জীবনযাপনে এর চিত্র খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠে। বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামবাংলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনে এত সুন্দর সাবলীল ভাষায় আর কোন কথা সাহিত্যিক তার লেখায় লিখেছেন কিনা সন্দেহ। গ্রাম বাংলার সাধারন মানুষের জীবন যাপনকে তার লেখনীতে মানুষের কাছে উপস্থাপন করার এক অসামান্য প্রতিভা তার মধ্যে ছিল। তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে পথের পাঁচালী, ইছামতি, দৃষ্টি প্রদীপ ইত্যাদি। তার এই অসামান্য উপন্যাস লেখার ক্ষমতা কারনেই তিনি রবীন্দ্র পুরস্কার এ ভূষিত হন। ১৯৫০ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

কাজী নজরুল ইসলামঃ

 বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার লেখনীতে বাংলাদেশের শিল্প ও সাহিত্যকে এক অনন্য পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন যেন বাংলার জনসমাজের এক প্রতিরূপ। ব্যক্তিগত জীবনে কবি কাজী নজরুল কষ্টময় জীবন যাপন করেছিলেন।  সেই কারণে তার ডাকনাম হয়ে যায় দুখু মিয়া ।কাজী নজরুল ইসলাম ব্যক্তিগত জীবনে সেনাবাহিনীতে চাকরি  করেন। সেনাবাহিনীতে তার সাহিত্য জীবনের সূচনা  ঘটে।  তার লেখায় তিনি সমাজের অবিচার এবং শোষণের কথা তুলে ধরেন। তাই তাকে বিদ্রোহী কবি নামে আখ্যায়িত করা হয়। তার এই বিদ্রোহে মনোভাব বাংলা সাহিত্যের এক নতুন দিগন্তের আবির্ভাব ঘটায়। শুধু উপন্যাসে নয় সাহিত্যের প্রায় সকল শাখা গান, গজল ,নাটক, ছোটগল্প ,প্রবন্ধ সব জায়গায় তিনি তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।  তার কবিতার বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল আরবি ও ফারসি ভাষার ব্যবহার। মাত্র ৪০ বছর বয়সে কবি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে  ফেলেন।পরে তাকে ঢাকায় আনা হয় এবং নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়। তাকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয়  কবির মর্যাদা দেওয়া হয়।তাঁর রচিত কাব্য গুলির মধ্যে অগ্নিবীণা ,বিষের বাঁশি, ছায়ানট উল্লেখযোগ্য । ১৯৭৬ সালে  কবি ঢাকার পিজি হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।তার ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদসংলগ্ন প্রাঙ্গণে পরিপূর্ণ সামরিক মর্যাদায় দাফন করা হয়। কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলার মানুষের শোষণ এবং নিপীড়নের ব্যাপারে তাঁর কবিতায় এবং লিখনিতে যে পরিমাণ অবদান রেখেছিলেন তা  তাকে বাংলার মানুষের মনে বিদ্রোহী  কবির আসনে উপনীত করেছে। তার বিদ্রোহী মনোভাব যেন বাংলাদেশের মানুষের ব্যক্তিত্বের প্রমাণ। তাই যুগে যুগে তার কবিতা এবং লেখনি গুলো আমাদের শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার জন্য সাহস জুগিয়ে চলেছে ।

মোতাহের হোসেন চৌধুরীঃ

 কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করা মোতাহার হোসেন চৌধুরী  তার কবিতা এবং গদ্য রচনায় বাংলার শিক্ষিত মানুষের এক অসাধারণ মনুষ্যত্বের প্রকাশ ঘটিয়েছেন ।তার পত্রিক নিবাস নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে। কর্মজীবনে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর অধ্যাপনা করেছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার গদ্য রচনা ও কবিতায় প্রমথ চৌধুরীর লেখনীর বৈশিষ্ট্য প্রতীয়মান। মননশীল চিন্তা ভাবনা এবং সৃজনশীল লেখার কারণে তিনি বাংলার মানুষের কাছে বিখ্যাত। তার প্রবন্ধ গ্রন্থ সংস্কৃতি কথা বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। কিন্তু গ্রন্থটি তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। এছাড়াও তিনি অনুবাদ সাহিত্যে অসাধারণ ভূমিকা পালন  করেন। তার সৃজনশীল অনুবাদের কারণে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক  বইয়ের প্রচলন ঘটে। ১৯৫৬ সালে তিনি পরলোকগমন করেন।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ

 বিহারের সাঁওতাল পরগনায় জন্মগ্রহণ করা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সংযোজন। তার পিতার নাম হরিহর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মাতা নীরদা সুন্দরী দেবী। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বাংলাদেশের মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুর অঞ্চলে। বন্ধুদের সঙ্গে বাজি ধরে লেখা গল্পের কারণেই লেখক হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন মানুষের  মাঝে।  পরবর্তীতে তিনি লেখা নিয়ে এতই মগ্ন থাকেন যে অনার্স পাস করতে পারেননি। এরপর তিনি  লেখাকে জীবিকা হিসেবে বেছে নেন। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস গুলো তে অসাধারণ লেখনীতে হাস্যরসাত্মক ভাবে তুলে ধরা হয়েছে বিভিন্ন গল্প এবং কাহিনী।  উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ গুলো হচ্ছে পদ্মা নদীর মাঝি, পুতুল নাচের ইতিকথা ইত্যাদি।  উপন্যাসেও তিনি রেখেছেন অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর। ১৯৫৬সালে এই মহান লেখকের মৃত্যুবরণ করেন।

জাহানারা ইমামঃ

 লেখক হিসেবে যতটা না পরিচিত তারচেয়ে জাহানারা ইমাম বেশি পরিচিত মুক্তিযোদ্ধার মা হিসেবে। জাহানারা ইমাম মুর্শিদাবাদের সুন্দরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম সৈয়দ আব্দুল আলী। তিনি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পরিচিত তার মুক্তিযোদ্ধা সন্তান রুমির জন্য।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই লিখে তিনি বাংলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে করেছেন সমৃদ্ধ। এছাড়াও তার সন্তান রুমি এবং তাদের সহযোদ্ধাদের বিভিন্ন অপারেশনে জাহানারা ইমাম সহযোগিতা করেন মুক্তিযুদ্ধের  সময়। জাহানারা ইমামকে ভূষিত করা হয় শহীদ জননী নামে। মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা বাংলার প্রতিটি মা-বোনদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের দলিল হিসেবে কাজ করে। মুক্তিযুদ্ধের জন্য লেখা একাত্তরের দিনগুলি আলোচিত একটি লেখা তার।  সাহিত্যে অংশগ্রহণের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন। বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ১৯৯৪ সালে  এই মহীয়সী নারী পরলোকগমন করেন

বাংলা সাহিত্যের এই কালপুরুষেরা আমাদের ভাষা সাহিত্যকে করেছেন অনন্য।তাই তাদের জীবনী আমাদের প্রেরনার উৎস হয়ে রবে চিরকাল……

ব্রেকিং নিউজ